দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা মেরামতে কত খরচ হবে, তা এখনও নির্ধারণ করতে পারেনি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।
মঙ্গলবার বাজেটসংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস ‘জে’ হার্স্ট তৃতীয় বলেন, আসন্ন ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজেটে এই মেরামত ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিদেশি স্থাপনাগুলোর ক্ষতির পরিমাণের চূড়ান্ত হিসাব এখনও নেই। আমরা কীভাবে বা আদৌ এগুলো পুনর্গঠন করব, সেটির ওপরই ব্যয় নির্ভর করবে।’
হার্স্ট আরও জানান, ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কেমন হবে, তা মূল্যায়ন করেই পুনর্গঠন পরিকল্পনা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে মিত্র দেশগুলোও ব্যয়ের একটি অংশ বহন করতে পারে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আগে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এসব ক্ষয়ক্ষতির মেরামতের জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ ভবিষ্যতে চাওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি।
প্রস্তাবিত ২০২৭ সালের বাজেট ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/